image

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রীর নাম ব্রাত্য বসু। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের একজন রাজনীতিবিদ এবং ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ময়নাগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ২০২১ সালের ২৭ মে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

ভারতের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি 2023?

ভারতের বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রীর নাম ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির একজন রাজনীতিবিদ এবং ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে রাজস্থানের ঝুনঝুনু আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ২০১৯ সালের ৩০ মে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

ধর্মেন্দ্র প্রধান একজন রসায়নবিদ এবং তিনি জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি ২০০০ সালে রাজস্থানের ঝুনঝুনু থেকে লোকসভায় প্রথম নির্বাচিত হন। তিনি ২০০৯ সাল পর্যন্ত লোকসভায় দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি পুনরায় ঝুনঝুনু আসন থেকে নির্বাচিত হন।

ধর্মেন্দ্র প্রধান ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করছেন। তিনি শিক্ষার মান উন্নয়ন, শিক্ষার পরিধি বৃদ্ধি এবং শিক্ষার জন্য অর্থায়ন বৃদ্ধির জন্য কাজ করছেন।পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম কি?

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হলেন প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের একজন নেতা ছিলেন। তিনি ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট থেকে ১৯৪৮ সালের ১৪ই জানুয়ারি পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ ১৮৭২ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯২১ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে যোগ দেন এবং ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৩৬ থেকে ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ পশ্চিমবঙ্গের একজন দক্ষ ও যোগ্য মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও শিল্পের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৫০ সালের ২২শে অক্টোবর মারা যান।পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রী কে আছেন?

বাংলার শিক্ষা মন্ত্রী কে

বাংলার শিক্ষা মন্ত্রী হলেন ব্রাত্য বসু। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের একজন রাজনীতিবিদ এবং ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ময়নাগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ২০২১ সালের ২৭ মে বাংলার শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

Hot:  ক্যামেরুন জাতীয় ফুটবল দল বনাম ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল এর লাইন-আপ

ব্রাত্য বসু ১৯৭১ সালের ১৩ই জুলাই কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি একজন শিক্ষাবিদ এবং তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

ব্রাত্য বসু একজন দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষামন্ত্রী। তিনি পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি শিক্ষার মান উন্নয়ন, শিক্ষার পরিধি বৃদ্ধি এবং শিক্ষার জন্য অর্থায়ন বৃদ্ধির জন্য কাজ করছেন।

পশ্চিমবঙ্গের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী কে?

পশ্চিমবঙ্গের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী হলেন ডাঃ শশী পাঁজা। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের একজন রাজনীতিবিদ এবং ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বেহালা (উত্তর) বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ২০২১ সালের ২৭ মে পশ্চিমবঙ্গের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

ডাঃ শশী পাঁজা ১৯৬৭ সালের ২৩শে নভেম্বর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি একজন চিকিৎসক এবং তিনি কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ডাক্তার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

ডাঃ শশী পাঁজা একজন দক্ষ ও যোগ্য নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী। তিনি পশ্চিমবঙ্গের নারী ও শিশুদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি নারীর ক্ষমতায়ন, শিশু সুরক্ষা এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য কাজ করছেন।

সিপিএম কত বছর পশ্চিমবঙ্গ শাসন করে

সিপিএম পশ্চিমবঙ্গকে 34 বছর (1977-2011) শাসন করেছিল। 1977 সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে, সিপিএম 295টি আসন জিতেছিল এবং বামফ্রন্ট সরকার গঠন করেছিল। বামফ্রন্ট সরকার 1977 সাল থেকে 2011 সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ শাসন করেছিল।

সিপিএমের শাসনামলে, পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং শিল্পের উন্নয়নেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তবে, সিপিএমের শাসনামলে দুর্নীতি এবং দমন-পীড়নও বেড়েছে।

2011 সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে, তৃণমূল কংগ্রেস 211টি আসন জিতেছিল এবং বামফ্রন্ট সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিল।**পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

Hot:  খানাপারা তীরের রেজাল্ট

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা সচিবের নাম কি?

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা সচিবের নাম প্রিয়দর্শিনী মল্লিক। তিনি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মেয়ে, যিনি পশ্চিমবঙ্গের বনমন্ত্রী। তিনি ২০২৩ সালের ১২ জুলাই উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদে সচিব হিসেবে নিযুক্ত হন।

প্রিয়দর্শিনী মল্লিক ১৯৮৭ সালের ২১শে মার্চ কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি একজন শিক্ষাবিদ এবং তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রীর নাম কি?

পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রীর নাম অমিত মিত্র। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের একজন রাজনীতিবিদ এবং ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বরানগর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ২০২১ সালের ২৭ মে পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

অমিত মিত্র ১৯৬৩ সালের ১৪ই জুলাই কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি একজন অর্থনীতিবিদ এবং তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

অমিত মিত্র একজন দক্ষ ও যোগ্য অর্থমন্ত্রী। তিনি পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি রাজ্যের আর্থিক অবস্থার উন্নতি, রাজ্যের ঋণভার হ্রাস এবং রাজ্যের অর্থনীতিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য কাজ করছেন।পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার হার কত

২০২৩ সালের হিসাবে, পশ্চিমবঙ্গের সাক্ষরতার হার ৭৬.২৬%। এটি জাতীয় গড় ৭৪.০৪% এর থেকে বেশি। ২০১১ সালের জনগণনা অনুসারে, ভারতের ৩৬টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মধ্যে সাক্ষরতার হারের দিক দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ ২০ তম।পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

পুরুষদের সাক্ষরতার হার ৮১.৪৩% এবং মহিলাদের সাক্ষরতার হার ৬৯.৭৪%। পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার হার জেলাভেদে ভিন্ন। সবচেয়ে বেশি সাক্ষরতার হার কলকাতা জেলায় (৮৯.৩২%) এবং সবচেয়ে কম সাক্ষরতার হার মালদা জেলায় (৬৭.৭৭%)।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার শিক্ষার উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে:

  • প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা
  • বিনামূল্যে প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করা
  • মাধ্যমিক শিক্ষাকে আরও সুবিধাজনক করা
  • উচ্চ শিক্ষার জন্য অর্থায়ন বৃদ্ধি করা
  • শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা
Hot:  জাতীয় পতাকার সবুজ রং কিসের প্রতীক

এই পদক্ষেপগুলির ফলে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

ভারতের কোন রাজ্যে সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি

কেরল ভারতের সাক্ষরতার হারের শীর্ষে রয়েছে। ২০২১ সালের জনগণনা অনুসারে, কেরলের সাক্ষরতার হার ৯৩.৯১%। এটি জাতীয় গড় ৭৪.০৪% এর চেয়ে অনেক বেশি। কেরল ভারতের সবচেয়ে উন্নত রাজ্যগুলির মধ্যে একটি এবং শিক্ষার উপর জোর দেওয়ার জন্য পরিচিত।

কেরলের সাক্ষরতার হারের উচ্চতার বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:

  • প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা
  • বিনামূল্যে প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করা
  • মাধ্যমিক শিক্ষাকে আরও সুবিধাজনক করা
  • উচ্চ শিক্ষার জন্য অর্থায়ন বৃদ্ধি করা
  • শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা

কেরল সরকার শিক্ষার উন্নয়নে উল্লেখযোগ্যভাবে বিনিয়োগ করেছে। এই বিনিয়োগের ফলে কেরলে শিক্ষার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

কোন রাজ্যে শিক্ষার হার সবচেয়ে কম

২০২১ সালের জনগণনা অনুসারে, বিহার ভারতের শিক্ষার হারের সর্বনিম্ন রাজ্য। বিহারের সাক্ষরতার হার ৭০.১৭%। এটি জাতীয় গড় ৭৪.০৪% এর চেয়ে অনেক কম। বিহার ভারতের সবচেয়ে দরিদ্র রাজ্যগুলির মধ্যে একটি এবং শিক্ষার উপর জোর দেওয়ার জন্য পরিচিত নয়।

বিহারের সাক্ষরতার হারের নিম্নতার বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:

  • দারিদ্র্য
  • সামাজিক বৈষম্য
  • শিক্ষার জন্য প্রবেশাধিকারের অভাব
  • শিক্ষার মান নিম্ন

বিহার সরকার শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করছে। তবে, এই প্রচেষ্টাগুলি এখনও খুব বেশি ফলপ্রসূ হয়নি।

Leave a Comment

footer
x