image

ভারতের প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম কি

ভারতের প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম কি

ভারতের প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ। তিনি ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট থেকে ১৯৫০ সালের ২রা জানুয়ারি পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন।

১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষকে মনোনীত করা হয়। তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত আইনজীবী, রাজনীতিবিদ এবং সমাজসেবী। তিনি পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প এবং অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের জন্ম ১৮৭২ সালের ২রা আগস্ট। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তিনি ১৯২৫ সালে কলকাতা পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৩৭ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের আইনসভার সদস্য ছিলেন।ভারতের প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম কি

স্বাধীনতার পর প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নতুন নতুন স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি রাজ্যের স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থার উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি রাজ্যের শিল্প ও অর্থনীতির উন্নয়নেও কাজ করেন।

প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ ১৯৫০ সালের ২রা জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ভারতের একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ এবং সমাজসেবী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।ভারতের প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম কি

ভারতের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন

ভারতের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সুচেতা কৃপলানি। তিনি ১৯৬৩ সালের অক্টোবর থেকে ১৯৬৭ সালের মার্চ পর্যন্ত উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন।

সুচেতা কৃপলানি ১৯০৮ সালের ১লা জুলাই ভারতের মাদ্রাজ প্রদেশের (বর্তমানে তামিলনাড়ু) তিরুচিরাপল্লিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং রাজনীতিবিদ। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের মহিলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তিনি ১৯৪৬ সালে ভারতীয় সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন।

সুচেতা কৃপলানি ১৯৫৭ সালে উত্তরপ্রদেশের রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৬৩ সালে তিনি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ছিলেন ভারতের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। তিনি উত্তরপ্রদেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প এবং অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।ভারতের প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম কি

সুচেতা কৃপলানি ১৯৭৪ সালের ২রা ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ভারতের একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ এবং নারী অধিকার কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

Hot:  পশ্চিমবঙ্গের জাতীয় পশুর নাম কি

সুচেতা কৃপলানির পর ভারতে আরও অনেক মহিলা মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমানে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ভারতের বর্তমান সময়ে দায়িত্ব পালনকারী একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী।ভারতের প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম কি

পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বিধানচন্দ্র রায়। তিনি ১৯৫০ সালের ২রা জানুয়ারি থেকে ১৯৬২ সালের ১লা জুলাই পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন।

বিধানচন্দ্র রায় ১৮৮২ সালের ১লা জুলাই ভারতের হুগলী জেলার চন্দননগর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত আইনজীবী, রাজনীতিবিদ এবং সমাজসেবী। তিনি পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প এবং অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

বিধানচন্দ্র রায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তিনি ১৯২১ সালে ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ দেন। তিনি ১৯২৫ সালে কলকাতা পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৩৭ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের আইনসভার সদস্য ছিলেন।ভারতের প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম কি

স্বাধীনতার পর বিধানচন্দ্র রায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করেন। তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নতুন নতুন স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি রাজ্যের স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থার উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি রাজ্যের শিল্প ও অর্থনীতির উন্নয়নেও কাজ করেন।

বিধানচন্দ্র রায় ১৯৬২ সালের ১লা জুলাই মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ভারতের একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ এবং সমাজসেবী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

বিধানচন্দ্র রায়ের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প এবং অর্থনীতির ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়। তিনি পশ্চিমবঙ্গকে একটি উন্নত রাজ্যে পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।ভারতের প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম কি

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তালিকা

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তালিকা

ক্রম নাম দল মেয়াদ
প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ১৯৪৭-১৯৫০

| ২ | বিধানচন্দ্র রায় | ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস | ১৯৫০-১৯৬২ | | ৩ | প্রফুল্লচন্দ্র সেন | ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস | ১৯৬২-১৯৬৭ | | ৪ | অজয়কুমার মুখোপাধ্যায় | ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস | ১৯৬৭-১৯৭১ |

| ৫ | সুব্রত বক্সি | ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) | ১৯৭১-১৯৭৭ |ভারতের প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম কি

Hot:  শিলং তীর রেজাল্ট

| ৬ | জ্যোতি বসু | ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) | ১৯৭৭-২০০০ | | ৭ | বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য | ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস | ২০০০-২০১১ | | ৮ | মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় | সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস | ২০১১-বর্তমান |

বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস, ২০১১-বর্তমান

ভারতের প্রথম রাজ্যপালের নাম কি

ভারতের প্রথম রাজ্যপালের নাম সি. রাজগোপালাচারী। তিনি ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট থেকে ১৯৪৮ সালের ২১শে জুন পর্যন্ত ভারতের প্রথম রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত আইনজীবী, রাজনীতিবিদ এবং কূটনীতিবিদ। তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। তিনি ভারতের প্রথম গভর্নর-জেনারেল হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।ভারতের প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম কি

সি. রাজগোপালাচারী ১৮৭৮ সালের ১লা আগস্ট ভারতের মাদ্রাজ প্রদেশের (বর্তমানে তামিলনাড়ু) মাদুরাই জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তিনি ১৯২১ সালে ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ দেন। তিনি ১৯২৩ সালে কলকাতা কংগ্রেস অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৩০ সালে অসহযোগ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন এবং গ্রেফতার হন। তিনি ১৯৩৬ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন।

ভারত স্বাধীন হওয়ার পর সি. রাজগোপালাচারী ভারতের প্রথম গভর্নর-জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট থেকে ১৯৪৮ সালের ১৫ই জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতের গভর্নর-জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ভারতের সংবিধান রচনা কমিটির সভাপতি ছিলেন।ভারতের প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম কি

১৯৪৮ সালের ২১শে জুন ভারতের প্রথম রাজ্যপাল হিসেবে সি. রাজগোপালাচারীর মেয়াদ শেষ হয়। তিনি ১৯৫৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ভারতের একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ এবং কূটনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা রাজ্যপাল কে ছিল?

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা রাজ্যপাল ছিলেন পদ্মজা নাইডু। তিনি ১৯৫৬ সালের ৩রা নভেম্বর থেকে ১৯৬৭ সালের ১লা জুন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন।

পদ্মজা নাইডু ১৯০০ সালের ১৭ই নভেম্বর ভারতের হায়দ্রাবাদে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, কূটনীতিবিদ এবং সমাজসেবী। তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতিও ছিলেন।ভারতের প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম কি

পদ্মজা নাইডু ১৯২১ সালে ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ দেন। তিনি ১৯৩০ সালে অসহযোগ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন এবং গ্রেফতার হন। তিনি ১৯৩৬ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতা লাভের পর ভারতীয় সংসদের প্রথম মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।

Hot:  ভারত বনাম পাকিস্তান টেস্ট পরিসংখ্যান

১৯৫৬ সালে পদ্মজা নাইডু পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিযুক্ত হন। তিনি পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প এবং অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সংরক্ষণেও কাজ করেন।

১৯৬৭ সালে পদ্মজা নাইডু পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯৬ সালের ১ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ভারতের একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, কূটনীতিবিদ এবং সমাজসেবী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

ভারতের মুখ্যমন্ত্রী কে

আজ, ২০২৩ সালের ২৩শে ডিসেম্বর, ভারতের মুখ্যমন্ত্রী হলেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সদস্য। তিনি ২০১৪ সালের ২৬শে মে থেকে ভারতের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ভারতের দ্বিতীয় দীর্ঘতম মেয়াদী মুখ্যমন্ত্রী।ভারতের প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম কি

নরেন্দ্র মোদী ১৯৫০ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর ভারতের গুজরাটের ভাদোদরা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী এবং সমাজসেবী। তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। তিনি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন।

নরেন্দ্র মোদী ১৯৭৫ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে যোগ দেন। তিনি ১৯৮০ সালে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন। তিনি ১৯৮৯ সালে গুজরাটের বিধানসভায় নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯৫ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত গুজরাটের শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। তিনি ২০০১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।

২০১৪ সালে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ভারতের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়। নরেন্দ্র মোদী ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে পুনরায় নির্বাচিত হন।

নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারত অর্থনীতি, সামরিক শক্তি এবং আন্তর্জাতিক প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি ভারতকে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছেন।

Leave a Comment

footer
x